বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪

আপনার বিয়োগে আমরা মর্মাহত, ভারাক্রান্ত হে মহাননেতা!

 


এখনো আশাবাদী, ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার, হিজড়াঈলিদের সকল প্রোপাগান্ডা মিথ্যা প্রমাণিত করে, আবারো জীবিত ফিরে আসবেন। আর যদি তিনি চিরবিদায় নিয়েও থাকেন, তিনি সাধারণ মৃত্যু মরেননি, তিনি শহীদ হয়েছেন। শাহাদাততো প্রত্যেক মুমিনের কাংখিত বস্তু। একজন মুজাহিদের জন্য শাহাদাতের চেয়ে প্রিয়, কোন বস্তু পৃথিবীতে নেই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, করতে, জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া , শাহাদাতের অমিয় সুধা তিনি পান করেছেন। হিজড়াইলিরা জানে না, এটা তার জন্য কতো বড়ো উপহার। একজন মুজাহিদের জন্য বরং, নিজ ঘরে বিছানায় পড়ে মৃত্যু অনেক কষ্টের। খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিআল্লাহু আনহু যে কষ্টের কথা ব্যক্ত করেছিলেন। 

কিন্তু হে আমাদের মহানায়ক ! সমগ্র মুসলিম জাতি আপনার বিদায়ে ভারাক্রান্ত। প্রত্যেক মুমিনের হৃদয়ে আজ রক্তক্ষরণ হচ্ছে।



এমন মৃত্যু, আমি কখনো দেখিনি। যার জন্য পুরো পৃথিবী কেঁদেছে। হৃদয় গহীনে এমন রক্তক্ষরণ হয়েছে। 

আমি নিজেকে মানাতে পারছিনা। বিশ্বাস করাতে পারছিনা। ইয়াহইয়া সিনওয়ার শহীদ হয়েছেন। 

আর হে ইসলামের শত্রুরা! যারা তাঁর শাহাদাতের সংবাদে খুশি প্রকাশ করছো, মনে রেখো! তোমরা শুধু একজন ব্যক্তিকেই শাহাদাত উপহার দিতে পেরেছো। তোমাদের এটা জানা নেই, আমরা প্রত্যেকটি মুসলিম যুবক, এই শাহাদাতের তামান্না নিয়েই বাঁচি। মসজিদে আকসা স্বাধীন করার স্বপ্ন বুকে নিয়েই বাঁচি। তোমরা হয়তো একজন সিনওয়ারকে শহীদ করেছ। আমরা কোটি কোটি সিনওয়ার তোদের টুঁটি চেপে ধরার জন্যে, পৃথিবীর প্রত্যেক উঁচু নিচু ভূমি থেকে ধেয়ে আসবো । আমাদের অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বিজয় আমাদেরই হবে। 

আর হ্যাঁ শয়তানেরা! মনে রেখো! যার নাম শুনে তোমাদের মনে ভয়ের জন্ম হয়, অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে। তাঁর নামও আমরা চিরঞ্জীব করে রাখবো। এমন ভয় তোমাদের গ্রাস করবে, যা থেকে উত্তরণের কোন উপায় তোমাদের থাকবে না। 

হে গাধার দল ! তোদের দিলে ভয় ধরাতে আমি আমার ছেলের নাম "হাম্মাদ মায়মুন" থেকে পরিবর্তন করে ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার রাখলাম। আল্লাহ তাআলার কাছে আশা, তিনি আমার ছেলেকেও ইয়াহইয়া আস সিনওয়ারের মতো মর্দে মুজাহিদ হিসেবে কবুল করবেন। এবং শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করাবেন। হে আল্লাহ! আমি আমার সন্তানকে আপনার দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করে দিলাম। আপনি কবুল করুন। আমিন।

সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪

هل ستحظى بخمس دقائق لنفسك؟


الأمين 

جامعة الأزهر بمصر

خذ بضع دقائق للخروج من صخب الحياة من حولك، اترك كل الضجيج وراءك، وأخبر أصدقائك وداعًا لبضع لحظات، وأزِل سماعات الأذن عن أذنيك. لن يستغرق الأمر وقتًا طويلًا، مجرد دقائق قليلة.

الآن، ابدأ في العودة إلى الوراء ببطء، بعد قليل من المشي، ربما اختفى السوق المليء بالضجيج من عينيك. لم تعد تسمع أي صوت. من بعيد، يمكنك أن ترى وجه أصدقائك يظهر بوضوح كالسحب. ربما لا يزالون ينادونك بإشارات اليد.

ومع ذلك، اذهب. فقط لبعض الوقت. بعد ذلك، يمكنك العودة إليهم. بعد أن تبتعد عن كل شيء، اطرح على نفسك سؤالًا: كيف حالك؟ كيف تشعر؟ وسط كل هذه الانشغالات طوال اليوم، ربما لم تسأل نفسك بهذا الشكل من قبل.

كم هو غريب، أليس كذلك؟ نسأل الجميع في الشارع: كيف حالك؟ ولكننا لم نسأل أنفسنا أبدًا: كيف أنا؟ بعد كل تلك الساعات من المرح والموسيقى والضحك، عندما نعود إلى المنزل متعبين، حتى ذلك الحين لا نتوقف. في الليل، ربما نتناول الطعام أو لا نتناول، وننام في السرير الناعم، لكن عيوننا لا تريد أن تنغلق. مع لمسة الهاتف، يضيء الشاشة الزرقاء. بينما نتصفح فيسبوك، نقطع أميالاً دون أن ندري. وعندما يأتي الأذان، أذهب للنوم بعد سماعه. كم أنا محظوظ، أليس كذلك؟ من يمكن أن يكون سعيدًا مثلي؟ ولكن، هل هو حقًا كذلك؟

رغم كل هذا، هل أنا بخير؟ تبقى السؤال يدور في عقلي، وللأسف لا  .أستطيع العثور على جواب. بصراحة، لست بخير. لست بخير حقًا

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

হৃদয়ের আকুতি



,
১)
খালেদ বিন ওয়ালিদ , সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাঃ,বিন যিয়াদ, বিন কাসেমরা রক্ত আর তলোয়ার দিয়ে ইসলামী সাম্রাজ্য শক্তিশালী করেছেন।বিশ্ব মানবতা পুনরুদ্ধারে দিকে দিকে ইনসাফের ঝাণ্ডা গেড়েছেন।
মানবতা আর মনুষত্ব্যের ডাকে সাড়া দিয়ে স্পেন ও সিন্ধুতে  তাদের পদচরণ।ইনসাফের সীমান্ত গড়েছেন আপন পাঁজর দ্বারা।

ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিমসহ মুহাদ্দিস ইমামগণ হাদিস সংকলণ ও সংরক্ষণের কাজ সমাপ্ত করেছেন।

ইমাম আবু হানিফা,ইমাম শাফেয়ীসহ মুজতাহিদ ইমামগণ ইসলামী ফিকহ্কে সুন্দর ও সুবিন্যাস ভাবে পৌছে দিয়েছেন।

২)
বন্ধু, আমাকে আপনাকে রক্ত দিয়ে সীমান্ত প্রসারিত করার প্রয়োজন নেই। হাদিস সংকলন ও সংরক্ষণের ও প্রয়োজন নেই। ইসলামী ফিকহ্ নিয়ে রাত জাগরণের প্রয়োজন নেই।
এসব করে গেছেন আমাদের পূর্বসূরিরা (আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিক)।

আমাদের প্রয়োজন  প্রতিযোগীময় দুনিয়ার নিজেকে টিকিয়ে রাখা।  পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া আমানতের হেফাজাত করা।

অধুনা বিশ্বে চলছে বুদ্ধিভিত্তিক নিরব যুদ্ধ।
আজ যত প্রয়োজন উন্মুক্ত তলোয়ার, তার
থেকে বেশী প্রয়োজন কিছু শানিত কলম।
যা রক্তক্ষরণ ছাড়াই শত্রুর কলিজা কাটবে।

এই কলম কথা বলবে মানবতা আর মনুষত্বের পক্ষে, অসত্য আর পশুত্বের বিরুদ্ধে।
আগুন ধরাবে ন্যায়ের ঝান্ডাবাহী তারুণ্যের বুকে।
৩)
হে বন্ধু কবে তুমি জাগ্রত হবে, তেমার চার দিকে যে আজ অন্ধকার বেগে আসছে।এটা অমাবস্যার বিসন্নতা নয় যে, অলস হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে।
এ অন্ধকার সাম্রাজ্যবাদ ও নাস্তিকতার,যারা তোমার অস্তিত্বকে সহ্য করে না।

এতো এক কাল বৈশাখী সর্বনাশা ঝড়।যা
চতুরপার্শ দিয়ে তোমাকে বেষ্টন করেছে।
হঠাৎ দমকা হাওয়ার তোমার জায়গা হবে বঙ্গোপসাগর।

কবে উঠবে,কবে জাগ্রত হবে, কবে তুলবে কলম???
    কবে অধপতন হওয়া জাতিকে আলোর দিশা দেখাবে?

৪)
আজ নাস্তিকতার মুক্ত ছোঁআ পেয়ে দেখ, হাজারো যুবক মুক্তমনে ইভটিজিং ও ধর্ষণের খেলায় মেতে উঠেছে।
দেখ, রাস্তার পাশের ডাস্টবিনে সদ্য ফোঁটা শিশু জাতিকে অভিশাপ দিচ্ছে।
   মনে রেখ বন্ধু, চরিত্রহীন জাতির জন্য আল্লাহর সাহায্য নেই।

তোমার দেহে কি সিদ্দিকী সেই উক্তি আগুন প্রজ্জলিত করে না,
"মহানবী সাঃ এর ইন্তেকালের পর মুতার প্রান্তরে রোমানরা একত্র হল।মদিনার আশেপাশে কিছু গাদ্দার বিদ্রোহ করল।
মাশওয়ারা হল কি যারা যায়? সাহসী ব্যক্তি উমর রাঃ সহ সবার পরামর্শ, এখনই যুদ্ধ নয়। পরিস্থিতি শান্ত হোক।
ইসলামের প্রথম খলিফা ঈমানী চেতনায় দীপ্তকণ্ঠে বলেছিলেন " আমি জীবিত থাকব,আর দ্বীনের ক্ষতি হবে ? ""

৫)
  আজ কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী, কিছু গাদ্দার জুমল্যান্ড বাস্তবায়নের কিছু এজেন্ট মহানবী সাঃ এর চরিত্র নিয়ে তথ্যসন্ত্রাসী করে।

কিন্তু বন্ধু,
কোথায়ও আজ শুনা যায় না, কা'বার প্রাঙ্গনে ফারুকী সেই হুংকার, "তোমাদের মধ্যে যে তার বিবিকে বিধবা,সন্তানকে এতিম বানাতে চায় সে যেন  মুহাম্মাদে আরাবী সাঃএর উপর এটেক্ করে।"তার ও নবী মাঝে রয়েছে উমরের উন্মুক্ত তলোয়ার।"

আজ প্রয়োজন আলফেছানী রহঃএর নিরব সাধনা। যিনি সম্রাট আকবরের "দ্বীনে ইলাহীর" বিরুদ্ধে করেছেন নিরব বিপ্লব।
আকবরের জায়গায় বসেছেন হিন্দুস্তানের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট আলমগীর।

আজ বড় প্রয়োজন ইমাম গাজ্জালী, ইবনে তাইমিয়া, ইবনে হযম এর কলম খানি।
যে কলম যুগে যুগে মিথ্যার বেড়া-জাল থেকে সত্যকে উন্মুচিত করেছে।
যে কলম অন্ধকার রজনীতে পথহারা পথিক কে পথের সন্ধান দিয়েছে।

৬)
#হে আলী মিয়াঁর উত্তরসূরী, তোমরা কি ইতিহাস চর্চা ছেড়ে দিয়েছো?
লাল বাহিনী তুর্কিস্তান,উতবেকিস্থাসনের কবে হামলা করে ছিল?
কি ভাবে ইসলামী খেলাফাতের সমাধী হয়েছিল কামাল পাশার হাতে?
বলছি শোন,তখন আমাদের আলেমরা গোল টুপি ও লম্বা টুপির ফতোয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।যখন লালবাহিনীর হাত থেকে ফকীহুল উম্মাহ ইসমাঈল সমরকন্দীকে পাশার বাহিনী মুক্ত করল।
তিনি রোমাল দিয়ে মুখ লুকিয়ে বলেছিলেন, কিভাবে এই মুখ আমি আনোয়ার পাশাকে দেখাব, সে দিনের পর দিন আমার পিছনে ঘুরেছে জিহাদের ফতোয়া দেওয়ার জন্য
অথচ, আমি ভ্রুক্ষেপ করিনি।
প্রিয় বন্ধু, যুগ নেতৃত্ব দেওয়া যোগ্য আপনি, নিজেকে চিনুন,মানবতার রাহী পান করেছেন আপনি।
দেখ হায়, যুগ নেতৃত্বের যোগ্যতা যাদের
 তারাই যদি মাথা নাড়ায় যুগের ইশারার
মানবতা যাবে কোথায়।

 আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে সংস্কার
 করতে হবে। আবেগ দিয়ে শাপলাচত্বরে
 লক্ষ কোটি জনতা উপস্থিত করা যায় কিন্তু সিস্টেম বদলানো যায় না।

৭)
হে যুগ মুহাফেছ, আপনি হীনমন্য কেন?  হতাশায় কেন? এক বার হৃদয়ের জানালা উন্মুক্ত করে দেখ আসমান থেকে আসছে সালাম।
হে যামানার মুয়াজ্জিন, বেলা ফুরিয়ে যাচ্ছে তোমার কন্ঠ কেন আজ স্থব্ধ?

#প্রিয় বন্ধু,  আমি কবি নয়, সাহিত্যক নয়, হৃদরের ব্যথা প্রকাশ করার মত কলমী শক্তি নেই আমার।
আমি চাই আপনার কলমে দ্বারা  মানবতার কথা বলতে,যুগ জিজ্ঞাসার জবাব দিতে। নয়া যামানার নয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে।

হৃদয়ে আকুতি,
প্রিয় বন্ধু, এমন কলম কি জাতিকে উপহার দিবে?

বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

হযরাতুল উস্তাদ(মাওলানা আব্দুল মালেক) দা. বা. এর الوجيز সম্পর্কে কয়েকটি কথা



লিখেছেন: মাওলানা সাঈদ আহমদ (আজিমপুরী হুজুর)


০১- কিতাবের নামটি লক্ষ করুন।এতে এ শব্দগুলো বিশেষভাবে খেয়াল করার মত— في شيء من مصطلح الحديث الشريف

অর্থাৎ এই কিতাবে শুধু مصطلحات এর অর্থ-মর্ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, أحكام ووأصول النقد নিয়ে বহস করা হয়নি।

আসলে أصول الحديث-এর কিতাবসমূহে মৌলিকভাবে দুটি বিষয়ে আলোচনা করা হয়—

ক. ألفاظ اصطلاحية-এর পারিভাষিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ।এ অংশকে আমরা الجانب الاصطلاحي বলতে পারি।

খ. أصول النقد و قواعده এবং مصطلحات সংশ্লিষ্ট أحكام-এর আলোচনা-পর্যালোচনা।এ অংশকে الجانب التأصيلي و التقعيدي و الحكمي বলা যেতে পারে।


একটি উদাহরণের দ্বারা বিষয়টি আরো পরিষ্কার করা যেতে পারে:

উসুলুল হাদীসের কিতাবসমূহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রসিদ্ধ আলোচনা হচ্ছে - بحث المرسل

এতে মূলত দুটি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়—

ক. مرسل শব্দের অর্থ কী? এ শব্দ দ্বারা ইমামগণ কী কী অর্থ-মর্ম বোঝান ও প্রকাশ করেন? শব্দটির ব্যবহার কত ধরনের ও কী কী? শব্দটির ব্যবহার প্রসিদ্ধ অর্থেই সীমাবদ্ধ না انقطاع-র অন্যান্য সূরতের জন্যও শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে? ইত্যাদি,ইত্যাদি।

খ. مرسل-র হুকুম কী? الحديث المرسل সহীহ না যয়ীফ? এ ব্যাপারে أقوال أهل العلم কী কী? কার কী দলীল? এখানে যে اختلاف পাওয়া যায় তার دائرة ও منشأ কী? ইত্যাদি,ইত্যাদি।

প্রথম আলোচনাগুলো الجانب الاصطلاحي সম্পর্কিত।আর শেষোক্ত আলোচনাসমূহ الجانب الأصولي والتأصيلي সংশ্লিষ্ট।


তো, الوجيز কিতাবটিতে শুধুমাত্র اصطلاحات-র অর্থ-মর্ম নিয়ে অর্থাৎ الجانب الاصطلاحي সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।এতে أحكام و أصول النقد বিষয়ে আলোচনা করা হয়নি।

সাধারণত উসূলুল হাদীসের কিতাবগুলোতে مصطلحات و أحكام উভয় বিষয়ে একসাথে আলোচনা করা হয়,যা মুবতাদীদের পক্ষে সহজে ফন্ বুঝতে সহায়ক নয়।প্রথমে শুধু الجانب الاصطلاحي নিয়ে আলোচনা করা, অতঃপর مصطلحات-র অর্থ-মর্ম বুঝে ফেলার পর ধীরে ধীরে أحكام এবং أصول النقد و قواعده و ضوابطه সম্পর্কে ধারণা দিতে থাকা— এটাই সহজ,সুন্দর,ফিতরী পদ্ধতি।أصول التعلم والتعليم-এ التدريج বলে যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে,এরও দাবী হলো- প্রথমে শুধু اصطلاح পড়িয়ে পরে أصول وأحكام পড়ানো।

হজরাতুল উস্তাদ কিতাবটিতে এ পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।ভবিষ্যতে কিতাবটি যখন পূর্ণ হবে(মোট চারটি বাব থাকবে), তখন পরবর্তী বাবগুলোতে اصول واحكامও থাকবে।


০২– নামের মধ্যে বলা হয়েছে— في شيء من مصطلح الحديث। এর তাৎপর্য হলো,কিতাবে সকল مصطلحات-র আলোচনা আপাততঃ আসেনি।বরং তার একটি অংশ এসেছে।হুজূর مصطلحات حديثية-কে বড় বড় ১১টি ভাগে ভাগ করেছেন।কিতাবে প্রথম পাঁচ প্রকারের اصطلاحي শব্দাবলির অর্থ-মর্ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।অন্যান্য শব্দ যেমন ألفاظ الجرح والتعديل ومصطلحاتهما নিয়ে এখনো আলোচনা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তীতে হুজূর করবেন ইনশাআল্লাহ।


০৩– প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় কিতাবের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করত হজরাতুল উস্তাদ লিখেছেন—

۰۰ مبنيا على القواعد الفطرية لشرح المصطلح،ومراعيا لواقع استعمالات الأئمة

অর্থাৎ ফিতরী (স্বাভাবিক,প্রকৃত,যথার্থ) নিয়মানুসারে মুসতালাহগুলোর ব্যাখ্যা করা হয়েছে।ফিতরী নিয়মগুলো কী? মৌলিক একটি কথা হলো- এই মুসতালাহগুলো তো প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়েছে।বহু বহু ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করা হয়েছে।অতএব মুতাকাদ্দিম ইমামগণ (যারা শব্দগুলোর موجد ও প্রথম ব্যবহারকারী),তাঁদের ব্যবহারিক ময়দানে গিয়ে গভীরভাবে লক্ষ করা যে,শব্দগুলো কী কী অর্থে, কোনভাবে, কত কতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।ইমামের বিভিন্নতায়, ক্ষেত্রের বিভিন্নতায়, যমানার বিভিন্নতায় শব্দের অর্থে বৈচিত্র এসেছে কি না? শব্দটি একক অর্থবিশিষ্ট না একাধিক অর্থবিশিষ্ট? ইত্যাদি।

অতঃপর উক্ত استقراء وتتبع-র আলোকে مصطلحات-র ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা।الوجيز -এ এ তরীকাই অনুসরণ করা হয়েছে।এজন্যই হুজুর যেমনটি বলেছেন,এই কিতাবে التعريفات الرسمية-র উপর জোর দেওয়ার পরিবর্তে واقع استعمالات الأئمة-র প্রতি লক্ষ রেখে আলোচনা করা হয়েছে।


০৪– উক্ত কারণেই কিতাবে শব্দগুলোর অর্থ-মর্ম বয়ান করার সাথে সাথে প্রায় প্রতিটি শব্দের ক্ষেত্রে ইমামগণ বিশেষত মুতাকাদ্দিমগণ ইমামগণের অনেক ব্যবহার দেখানো হয়েছে।ফলে পাঠকের জন্য ইমামদের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করে শব্দগুলোর ব্যবহার স্বচোক্ষে দেখার ও অনুধাবন করা সম্ভব হবে।এতে প্রকৃত ইলমী لذت হাসিল হবে এবং فهم المصطلحات হবে أوقع في النفس


০৫– হুজূর আরো লিখেছেন—

مع نصوص نادرة في الكلمات الأربعة: الحديث،والسنة،والأثر،والخبر

এই চারটি সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ শব্দের ব্যাপারে কিতাবে প্রচুর দুর্লভ نصوص জমা করে দেওয়া হয়েছে।

বস্তুত হজরাতুল উস্তাদ এ চার শব্দের উপর এমন বিস্তারিত, তাহকীকপূর্ণ, সুগভীর ইলমী আলোচনা করেছেন, যা অন্য কোন একক কিতাবে পাওয়া দুষ্কর হবে বলে ধারণা করি।এবং এ আলোচনাটি হযরাতুল উস্তাদের “শানে ইজতিহাদে ভরপুর” আলোচনাগুলোর একটি বলে মনে করি।والله أعلم আর এই শব্দগুলোর সম্পর্ক শুধু علوم الحديث-র সাথে নয়।অন্য একাধিক علوم-এও শব্দগুলোর গভীর প্রভাব রয়েছে,বিশেষত প্রথম দুই শব্দের।এ কারণেই প্রত্যেক তালিবে ইলমের শব্দগুলোর ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরী।এ ব্যাপারে হুজুরের আলোচনাটি খুবই উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।


০৬– পূর্বে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে কিতাবে مصطلحات حديثية-কে বড় বড় ১১টি মৌলিক أقسام و أنواع-এ ভাগ করা হয়েছে।এই تقسيم و تنويعও কিতাবের একটি বৈশিষ্ট্য ও বিশেষ সৌন্দর্য।এতে করে মুসতালাহাতের ব্যাপারে শুরুতেই একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে এবং مصطلحات حديثية কত কত ধরণের ও পর্কারের তার অবগতি লাভ হবে।এই অবগতি فهم المصطلحات فهما صحيحا و دقيقا এর জন্য খুব সহায়ক হবে।


০৭– কিতাবের শুরুতে تاريخ تدوين علم مصطلح الحديث বিষয়ে একটি গভীর আলোচনা রয়েছে।মূল কথাগুলো শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ রাহ থেকে নেওয়া হয়েছে।তবে এতে হুজুরেরও একাধিক إضافات مهمة و زيادات مفيدة রয়েছে।বিশেষ করে تدوين علم مصطلح الحديث-এ ফুকাহায়ে কেরাম ও أصحاب أصول الفقه এর যে অবদান, তা হুজুরের আলোচনাতেই স্পষ্ট হয়েছে।

শাইখের এই আলোচনা থেকে শুধু تدوين علم مصطلح الحديث নয়, যে কোন গুরুত্বপূর্ণ علم و فن এর تاريخ تدوين কীভাবে লিখতে হয় তাও অনুধাবন করা যায়।দেখুন- শাইখ এই তারীখ রামাহুরমুযীর কিতাব দ্বারা শুরু করেননি।আরো বহু পূর্ব থেকে,القرن الثاني-র শেষার্ধ থেকে অর্থাৎ ইমাম শাফেয়ী থেকে শুরু করেছেন।আর হুজুর الشواهد العلمية-র আলোকে আরো পূর্বে নিয়ে গিয়েছেন।


০৮– কিতাবে প্রাসঙ্গিকভাবে روايات إسرائيلية সম্পর্কে একটি অত্যন্ত উপকারী ও গভীর তাহকীকী আলোচনা রয়েছে।আলোচনাটি যদিও এক প্রকারের استطراد বরং إسهاب في الاستطراد কিন্তু আমাদের মত তালিবুল ইলমদের জন্য এই استطراد و إسهاب খুবই উপকারী হয়েছে।এতে করে আমরা إسرائيليات-র হুকুম, তার ব্যাপারে করণীয়,مرفوع حكمي থেকে তা আলাদা করার সঠিক ইলমী ضابطة (নিয়ম ও পদ্ধতি) ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত ও স্বচ্ছ ধারণা লাভ করতে পারবো।হুজুর محاضرات علوم الحديث ও এসব হাদীস নয়-১ এও إسرائيليات সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।তিন কিতাবের আলোচনা একত্র করে পড়লে ও যথাযথভাবে অনুধাবন করলে যে ফায়দা হাসিল হবে তা বলাই বাহুল্য।


০৯– কিতাবের শেষে দীর্ঘ فهرس المحتويات রয়েছে।সূচীটি যত্নের সাথে তৈরি করা হয়েছে।এবং তা এমন বিস্তারিত যে, তার উপর ভালভাবে নজর বুলিয়ে নিলে পুরো কিতাব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা লাভ হবে।প্রথমেই এই ধারণা লাভ করে কিতাব পড়া হলে ফায়দা বেশী হবে ইনশাআল্লাহ।সূচীতে একটি শিরোনাম বার বার চোখে পড়বে—

نماذج من استعمال الكلمة في عبارات الأئمة القدامى

এতে করে মুসতালাহের ক্ষেত্রে মুতাকাদ্দিম ইমামগণের ব্যবহার লক্ষ করার গুরুত্ব মনের মধ্যে একদম গেঁথে যাবে।


১০– কিতাবের বহু যায়গায় نخبة الفكر و شرحها-র আলোচনার مناقشة علمية করা হয়েছে এবং সেসবের উপর ملاحظات فنية قوية পেশ করা হয়েছে।তবে তা করা হয়েছে بينة و برهان-র আলোকে এবং অবশ্যই পূর্ণ আদব রক্ষা করে।এসব আলোচনা দ্বারা অনেক ইলমী ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।বিশেষত نخبة الفكر و شرحها-তে شرح المصطاحات و تفسير الكلمات الحديثية -র ক্ষেত্রে যে ইলমী ও ফন্নী সমস্যাগুলো রয়েছে তার বিষয়ে ধারণা লাভ করা যাবে।

একাধিক অর্থ ও ব্যবহারবিশিষ্ট শব্দকে একটি সুনির্ধারিত অর্থে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া, পরস্পর متباين নয় এমন দুই শব্দে نسبة التباين পয়দা করা এবং একটিকে অপরটির قسيم বানিয়ে দেওয়া, অত্যন্ত জটিল ও “পুরতাকাল্লুফ” تعريفات رسمية-র মাধ্যমে مصطلحات حديثية এর ব্যাখ্যা করা— ইত্যাদি বিভিন্ন জটিলতা নুখবাতুল ফিকারে রয়েছে।


একটি প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে— مصطلحات حديثية-র ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ জানতে চাই।কিছুটা গভীর মুতালাআ কোন্ কিতাব দ্বারা শুরু করা যায়? ইতিপূর্বে এই প্রশ্নের উত্তরে কিছুটা জটিলতা অনুভব হতো।এখন ইতমিনানের সাথে الوجيز-র কথা বলা যাবে ইনশাআল্লাহ।

তবে এই কিতাবও সম্পূর্ণ ইলমী কিতাব।তাই শুধুই নিজে নিজে না পড়ে মুবতাদীদের জন্য উত্তম হলো— উলূমুল হাদীসের সাথে ممارست ومزاولت আছে এমন কারো কাছে পড়া।তাহলে ফায়দা পূর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ।

هذا،وصلى الله تعالى على سيدنا ومولانا محمد وعلى أله وأصحابه،وبارك وسلم

বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০১৮

সমাজ কি তাহলে চূড়ান্ত ধ্বংসের পথে?


  

ডা. তারাকী হাসান মেহেদী 


বাচ্চা পেটে আসার ২৮ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা নষ্ট করলে সেটাকে এবরশন বা গর্ভপাত বলে। আমাদের দেশে আইন অনুযায়ী, এবরশন বা গর্ভপাত নিষিদ্ধ হলেও এর সংখ্যা দিনে দিনে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শুধুমাত্র ২০১৪ সালেই দেশে প্রায় ১২ লাখ এবরশন করানো হয়। (সূত্র: গুটম্যাকার, ২০১৭)।

সবচেয়ে চিন্তার দিক হল, এবরশন পরবর্তী জটিলতায় মাতৃমৃত্যুর হারও বাড়ছে। ২০১০ সালে যেখানে এবরশনের কারণে ১ ভাগ মাতৃমৃত্যু হত, সেখানে ২০১৬ সালে বৃদ্ধি পেয়ে সেটা হয়েছে ৭ ভাগ। (BMMS ২০১৬)।

এর কারণ হল, একদিকে যেমন এবরশন বাড়ছে, অপরদিকে এটা গোপন করার হারও বাড়ছে।

বিশেষ করে অবিবাহিত মেয়েরা বয়ফ্রেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে গর্ভবতী হয়ে গোপনে এবরশন করাচ্ছে। একটা তথ্যে পাওয়া যায়, আমাদের দেশে বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিত কিশোরীদের এবরশন করানোর হার পঁয়ত্রিশ ভাগ বেশি। (আহমেদ, ২০০৫)।

কিন্তু এবরশন পরবর্তী জটিলতা যেমন - ইনফেকশন, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হলে লোকলজ্জার ভয়ে আর সেটার চিকিৎসা করায় না। ফলে অনেকে এবরশনের পরে মারা গেলেও সেগুলো পর্দার অন্তরালে থেকে যাচ্ছে।
এই ১২ লাখ এবরশন ছাড়াও রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৩০ হাজার এমআর। সে হিসেবে প্রতি বছর (২০১৪ অনুযায়ী) বাচ্চা নষ্টের পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি। যেখানে দেশে মোট গর্ভের সংখ্যাই প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ। (গুটম্যাকার, ২০১৭)

এতো গেল এবরশনের কথা। এর সাথে সাথে নবজাতক হত্যার সংখ্যাও দিনে দিনে বাড়ছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালেই প্রথম চার মাসে রাস্তাঘাটে, ডাস্টবিনে ২৭ জন অজ্ঞাত নবজাতকের লাশ পাওয়া গেছে।

আর এই চলতি মে মাসের প্রথম পনের দিনেই মোট ২৮ জন নবজাতককে ডাস্টবিনে পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ১৭ জন ছিল মৃত। বাকি আটজন জীবিত (ইত্তেফাক, ১৯ মে ২০১৮)। তিনজনের তথ্য পাওয়া যায়নি।

অবৈধ মেলামেশার ফলাফল তো আছেই, এর পাশাপাশি বৈধ সম্পর্কের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যা সন্তানদেরও এরকমভাবে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা গেছে।

সমাজের অধঃপতন কোন দিকে যাচ্ছে তা এখান থেকে সহজেই অনুমেয়। ঠিক যেন আরবের অন্ধকার যুগের প্রতিচ্ছবি। যেভাবে তারা পুত্র সন্তানের আশায় কন্যা সন্তানকে জীবিত পুঁতে রেখে হত্যা করত।

যার সন্তান নেই, সে জানে এটা কত বড় একটা নিয়ামত। একটা সন্তান পাওয়ার জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে যাচ্ছে, এমন কোন জায়গা নেই সেখানে যাচ্ছে না। ছেলে হোক বা মেয়ে- পিতা মাতার জন্য যে কোন সন্তানই হল স্রষ্টা প্রদত্ত সবচেয়ে বড় উপহার। অথচ এ মূল্যবান প্রাণ নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। নৈতিক অবক্ষয় কোথায় গিয়ে পৌঁছাচ্ছে তা ভাবতে গেলেও গা শিহরিত হয়। এ নির্মমতার শেষ কোথায়?

লেখক: ডা. তারাকী হাসান মেহেদী, মেডিকেল অফিসার, বিসিএস (স্বাস্থ্য)



রবিবার, ১৩ মে, ২০১৮

রোজার তাৎপর্য ও আধুনিক মাসায়েল



লিখেছেন---এনামুল হাসান কাসেমী


نحمدك يا من أنزل علينا القرآن في رمضان وجعله هداية للإنسان ونصلي على من جعله الله خير الأنام.؛
 ২য় পর্ব
- - - - - - - - - -

রোজার হুকুম :

'' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' ''
* প্রত্যেক আকেল (বোধ সম্পন্ন), বালেগ ( বয়সপ্রাপ্ত) ও সুস্থ্য মুসলিম নার-নারীর উপর রোজা রাখা ফরয।

* ছেলে মেয়ে দশ বৎসরের হয়ে গেলে তাদের দ্বারা (রোজা তাকীদ দিয়ে হলেও) রোজা রাখানো কর্তব্য। এর পূর্বে ও শক্তি হলে রোজা রাখার অভ্যাস করানো উচিত।

* বৎসরে পাঁচ দিন রোজা রাখা নিষিদ্ধ বা হারাম। ঐ পাঁচ দিন হল দুই ঈদের দিন এবং ঈদুল আহার পরের তিন দিন।

* এক দেশে রোজা শুরু করার পর অন্য দেশে চলে গেলে সেখানে যদি নিজের দেশের তুলনায় আগে ঈদ হয়ে যায়, তাহলে নিজের দেশের হিসাবে যে কয়টা রোজা বাদ গিয়েছে তার কাযা করতে হবে। আর যদি সেখানে গিয়ে রোজা এক দুটো বেড়ে যায় তাহলে তা রাখতে হবে।

সূত্র :(  জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া খন্ড ১,
            আহসানুল ফাতাওয়া খন্ড ৪) ।

রোযার নিয়তের মাসায়েল :

'' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' ''
* রমজানের রোজার জন্য নিয়ত করা ফরয। নিয়ত ব্যতীত সারাদিন পানাহার ও যৌনতৃপ্তি থেকে বিরত থাকলেও রোজা হবে না।

* মুখে নিয়ত করা জরুরী নয়। অন্তরে নিয়ত করলেই যথেষ্ট হবে, তবে মুখে নিয়ত করা উত্তম।

* মুখে নিয়ত করলেও আরবীতে হওয়া জরুরী নয়-যে কোন ভাষায় নিয়ত করা যায়। নিয়ত এভাবে করা যায় -
 আরবীতে نويت بصوم اليوم অথবা بصوم غد نويت
বাংলায়ঃ আমি আজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম।

* সূর্য ঢলার দেড় ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত রামাযানের রোজার নিয়্যাত করা দুরাস্ত আছে, তবে রাতেই নিয়ত করে নেওয়া উত্তম।

* রমজান মাসে অন্য যে কোন প্রকার রোজা বা কাযার নিয়ত করলেও এই রমজানের রোজা আদার হবে- অন্য যে রোজার নিয়ত করবে সেটা আদায় হবে না।

* রাতে নিয়ত করার পরও সুবহে সাদেকর পূর্ব পর্যন্ত পানাহার ও যৌনকর্ম জায়িয। নিয়ত করার সঙ্গে সঙ্গেই রোজা শুরু হয় না,বরং রোজা শুরু হয় সুবহে সাদেক থেকে।
সূত্র :(  জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া খন্ড ১,
            আহসানুল ফাতাওয়া খন্ড ৪) ।

সাহরীর মাসাইলঃ 

'' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' ''
    * সাহরী খাওয়া জরুরী নয় তবে
সাহসী খাওয়া সুন্নাত, অনেক ফযীলতের আমল, তাই ক্ষুধা না লাগলে বা খেতে ইচ্ছে না করলেও সাহরীর ফযীলত হাছিল করার নিয়তে যা-ই হোক কিছু পানাহার করে নিবে।

* নিদ্রার কারণে সাহরী খেতে না পারলেও রোজা রাখতে হবে। সাহরী না খেতে পারায় রোজা না রাখা অত্যন্ত পাপ।

* সাহরীর সময় আছে বা নেই নিয়ে সন্দেহ হলে সাহরী না খাওয়া উচিত। এরুপ সময়ে খেলে রোজা কাযা করা ভালো। আর যদি পরে নিশ্চিত ভাবে জানা যায় যে, তখন সাহরীর সময় ছিল না, তাহলে কাযা করা ওয়াজিব।
* সাহরীর সময় আছে মনে করে করল অথচ পরে জানা গেল যে, তখন সাহরীর সময় ছিল না, তাহলে রোজা হবে না, তবে সারাদিন তাকে রোজাদারদের ন্যায় থাকতে হবে এবং রামাযানের পর ঐ দিনের রোজা কাযা করা ওয়াজিব।

* বিলম্বে সাহরী খাওয়া উত্তম। আগে খাওয়া হয়ে গেলেও শেষ সময় নাগাদ কিছু চা-পানি ইত্যাদি করতে থাকলেও বিলম্বে সাহসী করার ফযীলত অর্জিত হবে।

সূত্র :  ফতোওয়ে রহিমিয়হ খন্ড  ৩,
           আহসানুল ফতোয়া  খন্ড  ৪,
           জাওয়াহিরুল ফিকহ খন্ড ১,)

ইফতার-এর মাসাইলঃ

'' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' ''
* সূর্য অন্তিম হওয়ার পর বিলম্ব না করে তারাতারি ইফতার করা মুস্তাহাব। বিলম্বে ইফতার করা মাকরূহ।

* মেঘের দিনে কিছু দেরি করে ইফতার করা ভাল। মেঘের দিনে ঈমানদার ব্যক্তির অন্তরে সূর্য অস্ত গিয়েছে বলে সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত বছর করা ভাল। শুধু ঘড়ি বা আযানের উপর নির্ভর করা ভাল নয়, কারণ তাতে ভুলও হতে পারে।

* সবচেয়ে উত্তম হল খোরমা দ্বারা ইফতার করা, তারপর কোন মিষ্টি জিনিস দ্বারা তারপর পানি দ্বারা।
* লবণ দ্বারা ইফতার শুরু করা উত্তম এই আকীদা ভূল।

* ইফতার করার পূর্বে নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করবে। দুআ পাঠ করা মুস্তাহাব।
   ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ زُهْرَةَ ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ : " اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ، وَعَلَى رِزْقِكَ  أَفْطَرْتُ ".
حكم الحديث: ضعيف
  ( আবু দাউদ হাঃ ২৩৫৮ তবে হাদিসটি যঈফ     বলেছেন )

* ইফতার করার পর নিম্নের দোয়া পাঠ করবে-

، وَقَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ : " ذَهَبَ الظَّمَأُ، وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ".
حكم الحديث: حسن
      ( আবু-দাউদ হাঃ ২৩৫৭ হাদীসটি হাসান )
ইফতারের পূর্বে বা কিছু ইফতার করে বা ইফতার থেকে সম্পূর্ণ ফারিগ হয়ে দুআ করা মুস্তাহাব।

* পশ্চিম দিকে প্লেনে সফর শুরু করার কারণে যদি দিন লম্বা হয়ে যায় তাহলে সুবহে সাদেক থেকে নিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সূর্যাস্ত ঘটলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইফতার বিলম্ব করতে হবে, আর ২৪ ঘন্টার মধ্যেও সূর্যাস্ত না ঘটলে ২৪ ঘন্টা পূর্ণ হওয়ার সামান্য কিছু পূর্বে ইফতার করে নিবে।

* পূর্ব দিকে প্লেনে সফর করলে যখনই সূর্যাস্ত পাবে তখনই ইফতার করবে।

সূত্র :  জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া খন্ড ১,
            আহসানুল ফাতাওয়া খন্ড ৪) ।


যে সব কারণে রোজা ভাঙ্গে না এবং মাকরূহও হয় 

'' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' '' ''
নাঃ
'' '' '' '' ''
১- মিসওয়াক করা। যেকোন সময় হোক, কাঁচা হোক বা শুকনা।

২- শরীর বা মাথা বা দাড়ি গোঁপে তেল লাগানো।
৩- চোখে সুরমা লাগানো বা ঔষধ দেওয়া।

৪- খুশবু লাগানো বা তার ঘ্রাণ নেওয়া।


৫- ভুলে কিছু পান করা বা আহার করা।

৬- গরম বা পিপাসার কারণে গোসল করা বা বারবার কুলি করা।

৭- অনিচ্ছা বশতঃ গলার মধ্যে ধোঁয়া, ধুলাবালি বা মাছি ইত্যাদি প্রবেশ করা।

৮- কানে পানি দেওয়া বা অনিচ্ছা বশতঃ চলে যাওয়ার কারণে রোজা ভঙ্গ হয় না, তবে ইচ্ছাকৃত ভাবে দিলে সতর্কতা হল রোজা কাযা করে নেওয়া।
( জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া খন্ড 1)

৯- অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হওয়া। ইচ্ছাকৃত ভাবে অল্প বমি করলে মাকরূহ হয় না, তবে এরূপ করা ঠিক নয়।
১০- স্বপ্ন দোষ হওয়া।
১১- মুখে থুথু আসলে গিলে ফেলা।

১২- যে কোন ধরনের ইনজেকশন বা টিকা লাগানো। তবে রোজার কষ্ট যেন বোধ না হয়-এ উদ্দেশ্যে শক্তির ইনজেকশন বা স্যালাইন লাগানো মাকরূহ।

১৩- রোযা অবস্থায় দাঁত উঠলে এবং রক্ত পেটে না গেলে।

১৪- পাইরিয়া রোগের কারণে যে সামান্য রক্ত সব সময় বের হতে থাকে এবং গলার মধ্যে যায় তার কারণে।

১৫- সাপ ইত্যাদি দংশন করলে।

১৬ - পান খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলি করা সত্ত্বেও যদি থুথুর লালাভাব থেকে যায়।

১৭- শাহওয়াতের সঙ্গে শুধু নজর করার কারনেই যদি বীরযপাত ঘটে যায় তাহলে রোজা ফাসেদ হয় না।

১৮- রোযা অবস্থায় শরীর থেকে ইনজেকশনের সাহায্যে রক্ত বের করলে রোজা ভঙ্গে না এবং এতে রোজা রাখার শক্তি চলে যাওয়ার মত দুর্বল হয়ে পড়ার আশংকা না থাকলে মাকরূহও হয় না।

সূত্র : ১- আহসানুল ফাতাওয়া খন্ড ৪,
        ২ - জাওয়াহিরূল ফাতাওয়া খন্ড ১,
        ৩ - ফাতাওয়ে রহিমিয়াহ খন্ড ৩,
        ৪ - ফাতাওয়ে মাহমুদিয়া খন্ড ৩,।

চলবে,,,

শনিবার, ১২ মে, ২০১৮

কে দিয়েছে নারীর সম্মান (২)?



লিখেছেন--- মুআয আল জুহানী


এক যুবকের আর্তচিৎকারে হঠাৎ চতুর্দিক প্রকম্পিত হলো।

চারদিক থেকে মানুষজন আসতে শুরু করেছে। ছোট্ট ক‍্যাম্পটি লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে।
,,,,,,,،،،،،,,,,,,

আমি তোমাদের শুনাচ্ছি এক নিপীড়িত জাতির করুন ইতিহাস।

১৯২৩ সাল। কিছুদিন হলো,রুশ বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে। বিশ্বের বৃহৎ পরাশক্তি রাশিয়া চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেছে। বিপ্লবীরা ছিলো বলসেভিক লাল সেনা।
তারা দেশ দখলের পরই পুরো দেশে তান্ডব চালিয়েছে। তাদের স্লোগানতো সকলেরি জানা ছিলো।সেই  পুরোনো এক স্লোগান।কেউ খাবে আর কেউ খাবে না,তা হবে না তা হবে না।
তাদের এ মুখরোচক স্লোগানে সবাই প্রথমে ধোঁকা খেয়েছিলো। যখন সকলে তাদের এ মিথ্যা টোপ সম্পর্কে অবগত হলো, সকলে তাদের উপর রাগে ক্ষোভে ফুঁসতে লাগলো।
১৯১৭তে বিপ্লব সংগঠিত হয়।ছ’বছর পূর্ণ হতে চলেছে। এপর্যন্ত জনগণ উন্নয়নের কোন আভাস পায় নি।
কিন্তু লাল কম‍্যুনিস্ট বাহিনী তাদের সকল স্বাধীনতাই কেড়ে নিয়েছে। তাদের জায়গা-সম্পত্তি,ভিটে-বাড়ী সবি। এমনকি কোন যুগলকেও একত্রে থাকতে দেয়নি তারা।
এখন সবাই সরকারের অধীনে কাজ করবে,সমান খাবে,সমান পরবে।
তাদের সমান অধিকারের দাবি বাস্তবায়ন করবে।

এভাবেই সব চলা শুরু হয়েছে। পুরুষ মহিলা সকলে ক্ষেতে কাজ করে। সকলের পোষাক ও সমান। হাতাকাটা গেঞ্জি আর হাফ প্যান্ট। বড় কোন পোশাক হলেতো বেশি খরচ হবে।আর সেটা নিন্দনীয়।
কাজ শেষে সবাই হাসপাতালের ন‍্যায়  একসাথে ঘুমায়।
স্ত্রী সন্তান সব পৃথক করে দিয়েছে তারা।

একটা যুবক কতদিন আর থাকতে পারে আপন স্ত্রী ছাড়া?

বছর খানেক যাবত চলছে এই অত‍্যাচার।
একদিনের ঘটনা, জাফর ইকবাল নামের এক টগবগে যুবকের প্রচন্ড যৌন চাহিদা পেয়ে বসেছে। কিন্তু তার স্ত্রীকে যে তারা ধরে নিয়ে গেছে।

যৌন ক্ষুধা মেটাতে তারা তৈরী করেছে যৌননিবাস।কারো ক্ষুধা পেলে সেখানে যাবে।
সেখানে গিয়েই তার চাহিদা মেটাতে হবে।

জাফর ইকবাল নিজেকে আর সংবরণ করতে পারছিলো না।
সে পতিতালয়ে যাচ্ছে। এক পা এগুচ্ছে তো আরেক পা পিছুচ্ছে।
কিন্তু নিজেকে সে আর ধরে রাখতে পারছিলো না।
অবশেষে সে পৌঁছেছে পতিতালয়ে।মোটা, কালো একটা মহিলা বসে আছে, গেইটে। তাকে জিজ্ঞেস করলো,কী? লাগবে নাকি?
জাফর ইকবাল বললো হুম।
মহিলাটি তার জন্যে একটা কামরার দড়জা খুলে দিলো।

দুরুদুরু বুকে সে প্রবেশ করতে লাগলো, আস্তে আস্তে আন্দরে পৌঁছে গেছে সে।
অন্ধকার,প্রকট অন্ধকার। ভয়ে ভয়ে সে জানালাটা খুললো। সূর্যের আলোয় রুমটা পুরো আলোকিত, উদ্ভাসিত হয়ে গেলো। এতক্ষণে সে ভিতরে চোখ তুলে তাকিয়েছে।একটি পরিচিত চেহারা তার সামনে ধরা দিলো।
এ যে অন‍্য কারো চেহারা নয়।এ যে তার মমতাময়ী মায়ের করুন মুখ।
সে আর সহ‍্য করতে পারলো না। সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে চিৎপটাং হয়ে পড়ে গেলো।সে জ্ঞান হারিয়েছে। সাথে সাথে জ্ঞান হারিয়েছে তার মা ও। কতদিন যাবত তার মায়ের সাথে সাক্ষাৎ নেই।দেখা নেই। কথা নেই। বহুদিন পর আজ সাক্ষাত হলো। তবুও এ পরিস্থিতিতে। সে নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে পারেনি।
কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলো।মায়েরো জ্ঞান ফিরেছে।সে ছেলেকে শুনাতে লাগলো তার করুন ইতিহাস।
আর ধিক্কার দিতে লাগলো, বলতে লাগলো, এই কি তোর কম‍্যুনিস্ট নাস্তিক লাল কুত্তা বাহিনীর সাম‍্যনীতি?
ছিঃ। আল্লাহ যে কেন আমার স্বামীর সাথে মৃত্যু দেয়নি আমাকে। তাহলেতো তাদের এ জুলুম থেকে বাঁচতে পারতাম।হায় আল্লাহ, আমার মৃত্যু দাও।

জাফর ইকবাল ও নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। বুঝতে পেরেছে সে, নাস্তিকতায় কোন শান্তি নেই।
ইসলামই একমাত্র শান্তির ধর্ম।

সে আস্তে করে বাহিরে বের হয়ে গেলো।
মোটা দারোগানীটা জিজ্ঞেস করলো,কী? কাজ হয়েছে?
সে বললো, না।
আবার তার জিজ্ঞেস, কেনো না?
জাফর ইকবালের উত্তর, সে আমার মা।
আমি তার সাথে কিছু করতে পারবো না।
মহিলাটি আবার প্রশ্ন করলো, কেন ?
কি সমস্যা তাতে?
জাফর ইকবাল উত্তর দিলো, আমার বিবেক তা সাপোর্ট করে না।
এবার মহিলাটি গরম হয়ে গেলো।
সে বলতে লাগলো, আমরা বিবেক-টিবেক কিচ্ছু বুঝি না। আমাদের দেশে থাকতে হলে, আমাদের নীতি মানতে হবে,
সে আবারো অস্বীকার করলো।
এবার মহিলাটি পাশে টহলরত দুজন রক্ষীকে ডাকলো। তারা উপস্থিত হতেই তাদেরকে আদেশ করলো, ব্রাশফায়ার করে একে উড়িয়ে দাও। মুহুর্তেই দুটো ক্লাসিনকোভের এক ঝাঁক গুলি এসে জাফর ইকবালের শরিরটা ঝাঁঝরা করে দিলো। সে শুধু একটা চিৎকার দিয়েছিলো। আকাশ ফাটানো চিৎকার। অনেকেই জমা হয়ে গেছে আওয়াজে।
গুলির আওয়াজ শুনে মা ও বেরিয়ে এলো। জিজ্ঞেস করলো, কি অপরাধে আমার বাবাকে তোরা মেরেছিস?
অভিশাপ এই নাস্তিক কম‍্যুনিস্ট রাজত্বের জন্যে।
সে আরো বলছিলো, আয় আল্লাহ, ইসলামকে আবার বিজয়ী করো। আমাদের মুক্তি দাও।
এর অতিরিক্ত কিছু বলার সুযোগ সে পেলো না।
এক পশলা গুলির বৃষ্টি এসে তার বুকটাও এফোর ওফোর করে দিলো।

তারা চলে গেলো পৃথিবী ছেড়ে। কিন্তু আমাদের জন্যে রেখে গেলো এক মহান শিক্ষা।
ইসলামেই একমাত্র শান্তি। অন‍্য কোথাও শান্তি নেই।
যারাই শান্তির বাণী শুনিয়ে ব‍্যবসা করে, তাদের ওসব শুধু মুখরোচক ভাষাতেই সীমাবদ্ধ, কাজে তার কোন বাস্তবতা নেই।
শান্তি আর মানবতার মুক্তি একমাত্র ইসলামেই আছে।

আপনার বিয়োগে আমরা মর্মাহত, ভারাক্রান্ত হে মহাননেতা!

  এখনো আশাবাদী, ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার, হিজড়াঈলিদের সকল প্রোপাগান্ডা মিথ্যা প্রমাণিত করে, আবারো জীবিত ফিরে আসবেন। আর যদি তিনি চিরবিদায় নিয়...